ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ
ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পৌঁছানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী icon সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু   icon বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ, আলোচনায় জামায়াত icon দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon মতপার্থক্য, সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি icon শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি icon প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা icon দেশ অস্থির করতে পতিত দোসররা নানা তৎপরতা চালাচ্ছে: রিজভী icon ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল: প্রজ্ঞাপন জারি icon দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ইরান সংঘাতে ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র


                            এখন পর্যন্ত ইরান সংঘাতে ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৭ October ২০২৬ | ১৯:৫৭

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) হালনাগাদ করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআরএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া উড়োজাহাজের মধ্যে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও চালকবিহীন ড্রোন রয়েছে। তবে শ্রেণিবদ্ধ তথ্য এবং চলমান সামরিক অভিযানের কারণে এ সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু উড়োজাহাজ মেরামত শেষে ইতোমধ্যে ফের কার্যক্ষম করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনে। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৪৫টি রিপার হারিয়েছে।

যুদ্ধবিমানের মধ্যে ১২টি এফ-১৫ই ‘স্ট্রাইক ঈগল’ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে মার্চে কুয়েতের আকাশে নিজস্ব বাহিনীর ভুলে তিনটি এবং এপ্রিলে ইরানের আকাশসীমায় একটি বিমান ধ্বংস হয়। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলায় আরও আটটি এফ-১৫ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেগুলো আবার সার্ভিসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের তালিকায় রয়েছে একটি এফ-৩৫এ ‘লাইটনিং টু’, দুটি এ-১০ ‘থান্ডারবোল্ট টু’, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী সাতটি কেসি-১৩৫ এবং নজরদারিতে ব্যবহৃত একটি ই-৩ ‘সেন্ট্রি’ বিমান।

বিশেষ অভিযান পরিচালনায় ব্যবহৃত দুটি এমসি-১৩০জে, একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার, একটি এমকিউ-৪সি ‘ট্রাইটন’ এবং তিনটি এমকিউ-১ ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলিকপ্টারের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে একটি এএইচ-৬৪ ‘অ্যাপাচি’ ভূপাতিত হয়। এ ছাড়া উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় চারটি এএইচ-৬ ‘লিটল বার্ড’ ধ্বংস হয় এবং আরব সাগরে একটি এমএইচ-৬০ ‘সি হক’ বিধ্বস্ত হয়।

সিআরএস বলছে, এত বড় সংখ্যায় সামরিক উড়োজাহাজের ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন কংগ্রেসের নজরদারিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হওয়া উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপনে পেন্টাগনের পর্যাপ্ত অর্থ ও সরঞ্জাম রয়েছে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে ই-৩ ‘সেন্ট্রি’র মতো গুরুত্বপূর্ণ উড়োজাহাজ হারানোর ফলে মার্কিন সামরিক সক্ষমতায় কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা, সরবরাহব্যবস্থা এবং বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের চাপের কারণে এসব উড়োজাহাজ দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন হতে পারে।

আরও পড়ুন

×