ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ
ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পৌঁছানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী icon সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু   icon বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ, আলোচনায় জামায়াত icon দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon মতপার্থক্য, সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি icon শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি icon প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা icon দেশ অস্থির করতে পতিত দোসররা নানা তৎপরতা চালাচ্ছে: রিজভী icon ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল: প্রজ্ঞাপন জারি icon দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী


                            দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরো পাবে ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ০৭ October ২০২৬ | ১৩:১১

হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে এরই মধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেছেন, আগামী এক মাসে আরো প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবেলায় নতুন সরকারের নেতৃত্বে কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে জনগণের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া কার্যক্রম তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিন পর থেকেই সরকার যে লড়াই শুরু করেছে, তার অগ্রগতি এরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও সরকার সেখানে থেমে থাকেনি।

কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান। একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় থাকা শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব শিশুর প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের জনগণের কাছে সরকারের অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আগামী এক মাসের মধ্যে আরো প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সবাই অনেক কষ্ট করে কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিশুকে খুঁজে বের করছেন।

তিনি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুর কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত বাধা বা চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এবং দেশি-বিদেশি সব প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

  • বিষয় :

আরও পড়ুন

×