ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ
দুই বছর নয়, এক বছরেই স্থায়ী ২২ অতিরিক্ত বিচারপতি icon জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী icon স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রীস্বনির্ভর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী icon দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে : প্রধানমন্ত্রী icon নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার icon শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই-আগস্টের শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা icon ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে icon বাংলাদেশ-রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক icon জামায়াত দল হিসেবে ‘অকৃতজ্ঞ’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম icon গঙ্গার পানিবণ্টনে চুক্তি নবায়নের বদলে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী

শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’


                            শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২১ September ২০২৬ | ২১:১৮

চব্বিশের গণ-আন্দোলন দমনে সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নেতৃত্বেই নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া ও জালকুড়ি এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি হয়। এই গোলাগুলিকে আদিল ও ইয়াছিনসহ কয়েকজন নিহত হন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া সাক্ষ্যে এমনটাই দবি করেন প্রসিকিউশনের সাক্ষী মাহমুদ হোসেন, তিনি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি।

সাক্ষ্যে মাহমুদ হোসেন বলেন, আন্দোলনের সময় ফতুল্লা, সিদ্দিরগঞ্জ, জালকুড়ি লিংক রোড ও নারায়ণগঞ্জ সদরে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন তারা। এতে অনেক নেতাকর্মী আহত ও নিহত হন। তাদের দলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু গুলিবিদ্ধ হন এবং টিয়ারশেলের আঘাতে তিনি নিজেও আহত হন।

১৯ জুলাইয়ের বর্ণনায় তিনি বলেন, চাষাঢ়া ও জালকুড়ি এলাকায় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। এতে আদিল ও ইয়াছিনসহ কয়েকজন নিহত হন। একই দিন সন্ধ্যায় ডিআইটি সড়কে রিয়া গোপ নামে এক শিশুকন্যা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

৫ আগস্টের ঘটনার বর্ণনায় মাহমুদ হোসেন বলেন, সেদিন একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় শামীম ওসমানের অনুসারীরা দলের কর্মী ও মামাত ভাই বদিউজ্জামানকে ধরে নিয়ে যায়।

পরে শহীদ মিনার মোড়ে তাকে লোহার রড, পাইপ ও গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়।

সাক্ষী বলেন, ‘শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’। তার নির্দেশে কয়েকজন বদিউজ্জামানকে পিটাচ্ছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

মামাতো ভাই বদিউজ্জামানের মৃত্যুর জন্য শামীম ওসমানসহ আসামিদের দায়ী করে ট্রাইব্যুনালের কাছে বিচার চান সাক্ষী মাহমুদ হোসেন।

এরপর সাক্ষ্য দেন প্রসিকিউশনের আরেক সাক্ষী মোশারফ ব্যাপারী। ফতুল্লার বাসিন্দা মোশারফ ব্যপারীর ছেলে রাকিব ২০২৪ সালের ২১ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। সাক্ষ্যে মোশারফ বলেন, ‘শুনেছি শামীম ওসমানের ছেলে, ভাতিজা ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’ শামীম ওসমানসহ এ মামলার আসামি ১২ জন। তাঁদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • বিষয় :

আরও পড়ুন

×