ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সব সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত হওয়া উচিত: তথ্য উপদেষ্টা icon কেন্দ্রের ২০০ গজে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ, ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তি icon তৃণমূলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের উদ্যোগ, স্বাস্থ্য খাতে বড় সংস্কারে সরকার icon কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে icon জাতীয় সংসদে ইউনূস আমলের অনিয়ম তদন্তের দাবি icon আন্তর্জাতিক অপরাধ মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদারে পুলিশের উদ্যোগ icon জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন, দুই মাসের বকেয়াও পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা icon কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ  icon বিতর্কিত ধারা বাদ, পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকছে না icon পুলিশ ব্যবহার করবে বডি-ওর্ন ক্যামেরা, সব কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি

১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, তথ্য চাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর


                            ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, তথ্য চাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৯ June ২০২৬ | ১৩:৫৮

দেশের প্রায় ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজস্ব খেলার মাঠ না থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শন করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলোকে খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরূপণ করতে হবে। পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বরাদ্দ পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানোর আগে সেখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

যেসব বিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ নেই, সেসব ক্ষেত্রে আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহারের লক্ষ্যে সমঝোতা বা চুক্তির উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া মন্দির, মসজিদ, খালি জায়গা, পতিত জমি কিংবা অন্য সরকারি সংস্থার মাঠ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য ব্যবহারের ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, যেসব বিদ্যালয়ে কোনোভাবেই খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেখানে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে দাবা, ক্যারামসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখার নির্দেশও দিয়েছে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলার গুরুত্ব বাড়ানোর এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলাধুলার সংস্কৃতিও আরও শক্তিশালী হবে।

  • বিষয় :

আরও পড়ুন

×