ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: ডা. জাহেদ icon ডিজিটাল নকল ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর icon বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আট সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন icon সুইজারল্যান্ড ত্যাগ করলেন ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা icon চীনের চার বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ, বাড়বে কৌশলগত গুরুত্ব icon চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান icon মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ icon হামের সংক্রমণ কমলেও ঝুঁকি কাটেনি, আরও তিন শিশুর মৃত্যু icon নগদ লেনদেন কমাতে বাংলা কিউআরের বিস্তারে মন্ত্রণালয়গুলোর সহযোগিতা চাইলেন গভর্নর icon ৬ জেলায় সেনা ও ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

সিএনএনের বিশ্লেষণ

ইসরায়েলকে নিয়ে কড়া বার্তা ওয়াশিংটনের

সম্পর্ক নিয়ে বাড়ছে নতুন জল্পনা


                            ইসরায়েলকে নিয়ে কড়া বার্তা ওয়াশিংটনের

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ June ২০২৬ | ১৪:৩৮

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে তেল আবিবের প্রতি দেওয়া কঠোর বার্তা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন আশঙ্কা করছে—ইসরায়েলের পদক্ষেপ ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য এখন আর পুরোপুরি এক নয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও ইসরায়েলকে ঘিরে জনমত পরিবর্তন হচ্ছে। এমনকি ঐতিহ্যগতভাবে ইসরায়েলপন্থি রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও দেশটির নীতির সমালোচনা বাড়ছে।

এ প্রেক্ষাপটে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে ডোনাল্ড ট্রাম্পই ইসরায়েলের প্রতি সবচেয়ে সহানুভূতিশীল রাষ্ট্রনেতাদের একজন। তার ভাষ্য, ইসরায়েলের উচিত একমাত্র শক্তিশালী মিত্রের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট না করা।

ভ্যান্স ইসরায়েলের নিরাপত্তা নীতির সমালোচনা করে বলেন, কেবল সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সব ধরনের জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর ইসরায়েলের নির্ভরতার বিষয়টিও তুলে ধরেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একাধিকবার ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে অতিরিক্ত কঠোর বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত আগ্রাসী অবস্থান ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে।

জি-৭ সম্মেলনেও ট্রাম্প ইসরায়েলের অভিযানের সমালোচনা করেন। তার মতে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার নামে বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংসের ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

তবে সিএনএনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এসব কঠোর বক্তব্যের অর্থ এই নয় যে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সম্পর্ক তাৎক্ষণিকভাবে ভেঙে যাচ্ছে। বরং শান্তি আলোচনা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র এমন অবস্থান গ্রহণ করে থাকতে পারে।

তবু ট্রাম্প ও ভ্যান্সের প্রকাশ্য সমালোচনা কয়েক দশকের পুরোনো মার্কিন-ইসরায়েল সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • বিষয় :

আরও পড়ুন

×